বিতর্কিত রাজনৈতিক সফর ও সারদা-নারদা ছায়া: প্রয়াত মুকুল রায়কে কি ক্ষমা করেছে জনগণ?

মানুষের মৃত্যু বড়ই বেদনাদায়ক । কিন্তু তার জীবনকালে তার দ্বারা হওয়া খারাপ কাজগুলিও সমপরিমান বেদনাদায়ক। মৃত্যুর পর আবার কেউ কারোর খারাপ কর্ম গুলিকে মনে রাখতে চান না।

এই যে ধরুন প্রয়াত প্রাক্তন রেলমন্ত্রী মুকুল রায় । আজ যারা বলছেন কত ভালো মানুষ ছিলেন কাল, একসময় তারাই তাঁর ছবিতে ফুলের বদলে অন্য কিছুর মালা চড়িয়ে ছিলেন।

রাজনীতি তে মুকুল রায়

সারদা নারদা

২০১৫ সালের কথা মনে পড়ে? যখন এই মুকুল রায়ের নামই সামনে এসেছিল সারদা ও নারদা কাণ্ডে থুরি ঘোটালায়।

মমতাময়ী মমতা তখন নিজের ইমেজ বাঁচাতে চাণক্যকে ছয় বছরের জন্য দল থেকে বহিষ্কার করেন । আর সেই সুবর্ণ সুযোগে বিজেপি তাকে লুফে নেয় ! আসলে কি তাই? জানবো আমরা।

রাজনীতি

তবে ২০১৭ সালে তৃণমূল এবং রাজ্যসভা উভয় থেকেই ইস্তফা দেন মুকুল রায়। বিজেপির পতাকা হাতে নেন পাকাপাকিভাবে। ২০২১ এর বিধানসভার লড়াই করেন বিজেপির হয়ে এবং জয়লাভ করেন।

কি জানি কি হলো, একই বছরে সে বিজেপিকে পিঠ দেখিয়ে মমতার আঁচল ধরলেন আবার। এবার সঙ্গে তার ছেলে শুভ্রাংশু। তারপর এই দলাদলিতে তিনি তার বিধায়ক পদও হারালেন। এর কারণ তিনি দুই নৌকায় পা দিয়ে চলছিলেন।

এখন এটা তো আমরা সবাই জানি যে তিনি কেন বিজেপিতে গিয়েছিলেন। কেন? তার কৃতকর্মের পাপ মোচন যা একমাত্র বিজেপিই করতে পারে। বিজেপিতে কার্যসিদ্ধি হওয়ার পর ঘরের ছেলে ঘরে ফিরে আসবেন এটাই তো ছিল পূর্বনির্ধারিত। কিন্তু এটাকে জনসম্মুখে এক নাট্যমঞ্চে রূপান্তরিত করা হলো।

আরও পড়ুনঃ https://thehourglassnews.com/mukul-roy-passes-away-news/

রাজনীতির চাণক্য বলা হতো মুকুল রায় কে, তৃণমূলের ব্যাটন ধরে বহু রাজনৈতিক প্রখরতার প্রমাণও দিয়েছেন তিনি।

আজ তিনি নেই । তাই বলে তার পূর্বকৃত পাপ, যাতে জনগণের ক্ষতি হয়েছে তা কি মুছে যাবে? তিনি কি তার প্রায়শ্চিত্ত করতে পেরেছিলেন জীবিত কালে? ভুক্তভোগী জনগন কি তার মৃত্যুর পরেও তাকে ক্ষমা করতে পেরেছে?

প্রশ্ন অনেক, উত্তর জনগণের কাছে!!

ফলো করুন https://youtube.com/@thgn_2026?si=GBP1nUbYJEXlMZ7i

Logo Icon

The Power Brief !!

We don’t spam! Read our privacy policy for more info.

Share this:
Scroll to Top