তবে মঙ্গলবার ফটিকরায়ের জনসভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডক্টর মানিক সাহা শরিক দল তিপ্রা মথার বিরুদ্ধে এক নজিরবিহীন ও তীক্ষ্ণ আক্রমণ শানিয়েছেন।
আগরতলা: ত্রিপুরা রাজ্যের শাসকদল এবং তাদের শরিক দলের ঘরোয়া দ্বন্দ্ব এবার ঘর ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে এসেছে। এতদিন নাম না নিয়েই চলতো বাকযুদ্ধ।
Table of Contents

আগে সরাসরি নাম না নিলেও, এই সভায় তিনি মথাকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে বলেন যে এই দলটি বর্তমানে অতীতে কমিউনিস্টদের চালানো দমনপীড়ন ও সহিংসতার পথই অনুসরণ করছে।
তিনি অভিযোগ করেন, বিজেপির কোনো দলীয় কর্মসূচি থাকলেই মথার সমর্থকরা ফ্ল্যাগ ছিঁড়ে ফেলছে এবং সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি দেখিয়ে সভা-সমাবেশে আসতে বাধা দিচ্ছে।
এমনকি পুলিশের কাজে হস্তক্ষেপ করার অভিযোগ এনে তিনি বলেন, অপরাধের দায়ে কাউকে ধরা হলে মথা সমর্থকরা পতাকা নিয়ে থানায় চড়াও হয়ে স্লোগান দেয়, যা রাজ্যে এক অরাজক পরিস্থিতির ইঙ্গিত দিচ্ছে।
আরো পড়ুন https://thehourglassnews.com/tarek-rahmans-oath-taking-as-prime-minister/
তিপ্রা মথার মোহ ভঙ্গ – মুখ্যমন্ত্রী
তিপ্রা মথার মূল রাজনৈতিক দাবিগুলো নিয়ে তীব্র কটাক্ষ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, প্রথমে ‘তিপ্রাল্যান্ড’-এর নাম করে জনজাতিদের আবেগ নিয়ে খেলা হয়েছে এবং এখন সেই মোহভঙ্গ হতে দেখে নতুন করে ‘গ্রেটার তিপ্রাল্যান্ড’-এর ধুয়া তোলা হচ্ছে।
এই ভৌগোলিক দাবির কোনো ভিত্তি নেই উল্লেখ করে তিনি ব্যঙ্গাত্মক সুরে বলেন যে, মথা কি এখন বাংলাদেশ, পাকিস্তান কিংবা প্রতিবেশী আসাম-মিজোরাম দখল করে তাদের রাজ্য বানাতে চায়?
জনজাতিদের সরলতাকে পুঁজি করে তাদের বিভ্রান্ত করার এই প্রচেষ্টাকে তিনি ‘ভণ্ডামির রাজনীতি’ বলে অভিহিত করেন।
পরিশেষে, নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে মুখ্যমন্ত্রী বুঝিয়ে দিয়েছেন যে, জোটের শরিক হলেও আদর্শগতভাবে তিনি এই ধরনের বিভেদমূলক রাজনীতি সহ্য করবেন না এবং রাজ্যে স্বচ্ছ শাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে তিনি প্রধানমন্ত্রীর মতোই কঠোর অবস্থান বজায় রাখবেন।
You can Also Read this bloggerpost also https://talkbokmanisha.blogspot.com/2026/02/tripura-breaking-koushal-panjee-stalls.html

